���������������-������������������������-���������������


মেনু নির্বাচন করুন

Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

লক্ষ্য-ও-উদ্দেশ্য

প্রাচীন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে মাদ্রসা শিক্ষা অন্যতম। বর্তমান সরকার ২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। প্রণয়নকৃত জাতীয় শিক্ষানীতিতে মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। শিক্ষার কেন্দ্রীয় প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে শিক্ষা নীতির বিশেষধারা সংযোজিত রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগি করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিক শিক্ষা  ব্যবস্থা বি-কেন্দ্রীকরণের অংশ হিসাবে ২০১৫ সালে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন স্তর যেমন স্বতন্ত্র এবতেদায়ী, সংযুক্ত এবতেদায়ী,দাখিল, আলিম, ফাযিল  ও কামিল মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে বাস্তবমুখী, যুগোপযোগী ও আধুনিক শিক্ষা  নির্ভর জীবনদক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ও গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিরন্তর কাজ করে চলেছে। শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে বাঙালী জাতিকে বিশ্বের দরবারে সম্মানজনক স্থানে পৌঁছে দেয়ার  উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নেও বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। নিজস্ব ভবন না থাকায় ইস্কাটনের রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ারে (তৃতীয় তলা) ভাড়ার ভিত্তিতে এ দপ্তরের কার্যক্রম চলছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৭৯৫৪ টি এমপিওভূক্ত মাদ্রাসায় ১,৫০,৮০০ জন শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রতিমাসে বেতন /ভাতা (এমপিও) দেয়া হচ্ছে। এছাড়া  ১৫১৯টি এবতেদায়ী মাদ্রাসায় ৪,৫২৯ জন শিক্ষকদের অনুদান দেয়া হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক এবং একাডেমিক বিষয়ে মনিটরিংয়ের সার্বিক দায়িত্ব মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের। এ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক অধিক্ষেত্র সমগ্র বাংলাদেশ।মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরো আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং কর্মমুখী করার লক্ষ্যে এবং সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠিকে অধিকতর সেবা প্রদানের জন্য বর্তমানে আলাদা একটি অধিদপ্তর হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদেশের জনসমষ্টি জমি ও জল একমাত্র সম্পদ। এই দেশে যদি একটা বেঁচে থাকার মত পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করতে চাই তাহলে প্রতিটি নাগরিককে কর্মক্ষম ব্যক্তি হিসেব নিশ্চত করে তোলার বিষয়টিক অবশ্যই আমাদের সর্বাগ্রে বিবচনায় আনতে হবে। কর্মক্ষম এবং যোগ্য নাগরিক সৃষ্টি করা  এই প্রয়োজনটুকু সকলের মনে গেঁথে দিতে পারলেই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের পথটা প্রসারিত হবে।

 

বাংলাদেশে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় যে ধারাগুলি বিরাজমান সেগুলির মধ্যে মাদরাসা শিক্ষাধারার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। এ ধারায় ১৫ হাজারের অধিক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষক শিক্ষাদানের সাথে জড়িত। পরিবর্তনশীল সামাজিক চাহিদা পূরনের লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী, সাধারণ শিক্ষার মাঝে বিরাজমান ব্যবধান কমিয়ে আনাসহ গুনগতমান উন্নয়ন ও সুষ্ঠুরূপে পরিচালনা, তদারকী, পরিবীক্ষণ ও একাডেমিক পরিদর্শনকার্যক্রম জোরদারকল্পে, সেসাথে শিক্ষানীতি ২০১০ এ ঘোষিত নীতির বাস্তবায়নের নিমিত্ত বিভিন্ন শিক্ষা কমিটি/কমিশনের সুপারিশের আলোকে বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে“বিশেষশাখার” স্থলে সরকারএকটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠাকরেছে।

 

দেশের জনগোষ্ঠির শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ মাদরাসা শিক্ষার সাথে জড়িত। এ বিশাল জনগোষ্ঠিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে মাদরাসা শিক্ষার প্রতিযোগিতামূলক যথার্থ-মাননিশ্চিত করণে সরকারকর্তৃক (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারকনং-শিম/শাঃ১৪/বিবিধ-২-৮/২০০৮-১৬৩,তারিখঃ ০১.০৬.২০১৫ মোতাবেক) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নামে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার সরকারি মঞ্জুরী জ্ঞাপন করা হয়েছে । এর ধারাবাহিকতায় মূলত ০১.০৬.২০১৫ খ্রিঃ হতে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর-এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।ইতোমধ্যে সরকার কর্তৃক {শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারকনং- শিম/শাঃ২৪/বিবিধ-২-৮/২০০৮(অংশ)/২৭৪,তারিখঃ০৯.০৯.২০১৫খ্রিঃ মোতাবেক}মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য কর্মপরিধি ও নির্ধারণ করা হয়েছে। উক্ত কর্মপরিধির প্রধান প্রধান বিষয়গুলোহলো-

(ক) মাদরাসা শিক্ষা সংক্রান্ত সরকারের নীতি বাস্তবায়ন করা
(খ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মাদরাসা শিক্ষা সংক্রান্ত সকল উপদেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া,
(গ) মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের প্রশাসনিক,আর্থিক ও একাডেমিক কর্মকান্ড তত্বাবধান করা,
(ঘ) বেসরকারি মাদরাসা এমপিও ভুক্তকরণ,বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষককর্মচারী এমপিও ভুক্তকরণ,
(ঙ) মাদরাসা সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্প প্রনয়ন ও এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি তত্বাবধান
(চ) উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কর্মে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান্ সমুহের সাথে কাজের সমন্বয় করা,
(ছ) সরকার কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করা ইত্যাদি।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের লক্ষ্য

উচ্চ নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানসম্মত শিক্ষা

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্দেশ্য

যুগোপযোগী এবং উচ্চ নৈতিকতা সম্পন্ন মানব সম্পদ গঠন/তৈরী

 



Share with :

Facebook Facebook